Search This Blog

Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.

Blog Archive

Sunday, December 11, 2016

সুরা আবাসা

সুরা আবাসাআবাসা : ভ্রু-ভঙ্গিকরণ।


শুরু করি লয়ে নাম আল্লার,


দয়া করুণার যার নাই নাই পার।


  


(মোহাম্মদ) ভ্রু-ভঙ্গি করি ফিরাইল মুখ


যেহেতু আসিল এক অন্ধ আগন্তুক


তাঁহার নিকট। তুমি জান (মোহাম্মদ)?


হয়তো বা লভিবে সে শুদ্ধির সম্পদ;


কিংবা তব উপদেশ মতো সে চলিবে,


তাহাতে তাহার তরে সুফল ফলিবে।


মানে না যে তব কথা বেপরোয়া হয়ে,


বুঝাইতে কত যত্ন তব, তারে লয়ে!


অথচ সে শুদ্ধাচারী না হইলে পর


তোমার দায়িত্ব নাই প্রভুর গোচর।


কিন্তু তব পাশে ছুটে আসে যেইজন


আল্লার সে ভয়ও রাখে, তার থেকে মন


সরাইয়া লও তুমি! উচিত এ নয়,


আল্লার এ উপদেশ জানিয়ো নিশ্চয়;


কাজেই যাহার ইচ্ছা, করুক উহার


আলোচনা। ( সেই উপদেশ-সম্ভার)


মহিম-মহান পত্রাবলিতে (লিখিত),


উন্নত পূত লেখক হস্তে (সুরক্ষিত)।


(আর সে লেখকগণ) সৎ ও মহান।


সর্বনাশ মানুষের! সে কৃতঘ্ন-প্রাণ


অতি ঘোর! (হায়), তারে কোন বস্তু হতে


সৃজন করিয়াছেন তিনি? শুক্র হতে!


– তারে সৃষ্টি করে


যথাযথভাবে তারে সাজান, তা পরে


সহজ করেন তার জন্য পথ তার,


পরে মৃত্যু ঘটাইয়া সমাধি মাঝার


লন তারে। পুনরায় ইচ্ছা সে যখন,


বাঁচাইয়া তুলিবেন তাহারে তখন।


না, না তিনি করেছেন যে আদেশ তারে


সমাধা সে করিল না তাহা (একেবারে)।


করুক মানুষ এবার দৃষ্টিপাত


তাহার খাদ্যের পানে, কত বৃষ্টিপাত


করিয়াছি (তার তরে); মাটিরে তা-পরে


বিদীর্ণ করিয়াছি কত ভালো করে।


অনন্তর জন্মায়েছি ফসল প্রচুর,


আঙ্গুর শাকসব্জি, জায়তুন, খেজুর,


গহন কাননরাজি, তৃণাদি ও ফল;


তোমাদের, তোমাদের পশুর মঙ্গল


সাধিতে। আসিবে যবে সে বিপদ-দিন,


(ভীষণ নিনাদে) লোক পালাবে সেদিন


নিজ ভ্রাতা, নিজ পিতা-মাতা হতে,


সঙ্গিনী ও পুত্রগণে (ফেলে রেখে পথে)।


সেদিন এমনই হবে অবস্থা লোকের,


ভাবিতে সে পারিবে না কথা অন্যের।


সেদিন উজ্জ্বল হবে কত সে আনন,


হাসিরাশি-ভরা আর পূর্ণ-হরষন;


আবার কত সে মুখ ধূসর ধুলায়


(হইবে হায় রে) আচ্ছাদিত কালিমায়!


– ইহারা তাহারা,


অমান্যকারী আর ভ্রষ্টাচারী যারা।

No comments:
Write comments

Interested for our works and services?
Get more of our update !