Search This Blog

Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.

Blog Archive

Saturday, November 26, 2016

অমর-কানন

অমর-কানন** ) বাঁকুড়া জেলার গঙ্গাজলঘাটি জাতীয় বিদ্যালয়টি নদী, পাহাড়, বন ও মাঠ-ঘেরা একটি প্রান্তরে। এর নাম 'অমর কানন'। এই বিদ্যালয় অমর নামক একটি তরুণের তপস্যার ফল। সে আজ স্বর্গে। এই গানটি ওই বিদ্যালয়ের ছেলেদের জন্য লিখিত।


  অমর কানন


  

মোদের  অমর-কানন!


বন কে বলে রে ভাই, আমাদের তপোবন,

 আমাদের তপোবন।

  


এর

দক্ষিণে ‘শালী’ নদী কুলুকুলু বয়,



তার

কূলে কূলে শালবীথি ফুলে ফুলময়,



হেথা

ভেসে আসে জলে-ভেজা দখিনা মলয়,



হেথা

      মহুয়ার মউ খেয়ে মন উচাটন।


  

দূর প্রান্তর-ঘেরা আমাদের বাস,

দুধহাসি হাসে হেথা কচি দুব-ঘাস,


  

উপরে মায়ের মতো চাহিয়া আকাশ,



  

         বেণু-বাজা মাঠে হেথা চরে ধেনুগণ


  


মোরা

নিজ হাতে মাটি কাটি, নিজে ধরি হাল,



সদা

খুশিভরা বুক হেথা হাসিভরা গাল,



মোরা

বাতাস করি গো ভেঙে হরিতকি-ডাল,



হেথা

শাখায় শাখায় শাখী, গানের মাতন।



  

প্রহরী মোদের ভাই ‘পুরবি’ পাহাড়,



  

‘শুশুনিয়া’ আগুলিয়া পশ্চিমি দ্বার,



ওড়ে

উত্তরে উত্তরি কাননবিথার,



দূরে

ক্ষণে ক্ষণে হাতছানি দেয় তালী-বন।


  


হেথা

খেত-ভরা ধান নিয়ে আসে অঘ্রান,



হেথা

প্রাণে ফোটে ফুল, হেথা ফুলে ফোটে প্রাণ,



ও রে

রাখাল সাজিয়া হেথা আসে ভগবান,



মোরা

       নারায়ণ-সাথে খেলা খেলি অনুখন।


  



মোরা

বটের ছায়ায় বসি করি গীতাপাঠ,



  

আমাদের পাঠশালা চাষি-ভরা মাঠ,



  

গাঁয়ে গাঁয়ে আমাদের মায়েদের হাট,



  

ঘরে ঘরে ভাইবোন বন্ধুস্বজন।


  

গঙ্গাজলঘাটি, বাঁকুড়া

আষাঢ় ১৩৩২

No comments:
Write comments

Interested for our works and services?
Get more of our update !