Search This Blog

Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.

Blog Archive

Sunday, November 27, 2016

কালবৈশাখী


  


বারেবারে যথা কালবৈশাখী ব্যর্থ হল রে পুব-হাওয়ায়,


দধীচি-হাড়ের বজ্র-বহ্নি বারেবারে যথা নিভিয়া যায়,


কে পাগল সেথা যাস হাঁকি –


‘বৈশাখী কালবৈশাখী!’


হেথা বৈশাখী-জ্বালা আছে শুধু, নাই বৈশাখী-ঝড় হেথায়।


সে জ্বালায় শুধু নিজে পুড়ে মরি, পোড়াতে কারেও পারি নে, হায়।।


  



  


কালবৈশাখী আসিলে হেথায় ভাঙিয়া পড়িত কোন সকাল


ঘুণ-ধরা বাঁশে ঠেকা দেওয়া ওই সনাতন দাওয়া, ভগ্ন চাল।


এলে হেথা কালবৈশাখী


মরা গাঙে যেত বান ডাকি,


বদ্ধ জাঙাল যাইত ভাঙিয়া, দুলিত এ দেশ টালমাটাল।


শ্মশানের বুকে নাচিত তাথই জীবন-রঙ্গে তাল-বেতাল।।


  



  


কালবৈশাখী আসেনি হেথায়, আসিলে মোদের তরু-শিরে


সিন্ধু-শকুন বসিত না আসি ভিড় করে আজ নদীতীরে।


জানি না কবে সে আসিবে ঝড়


ধুলায় লুটাবে শত্রুগড়,


আজিও মোদের কাটেনিকো শীত, আসেনি ফাগুন বন ঘিরে।


আজিও বলির কাঁসর-ঘন্টা বাজিয়া ওঠেনি মন্দিরে।।


  



  


জাগেনি রুদ্র, জাগিয়াছে শুধু অন্ধকারের প্রমথ-দল,


ললাট-অগ্নি নিবেছে শিবের ঝরিয়া জটার গঙ্গাজল।


জাগেনি শিবানী – জাগিয়াছে শিবা,


আঁধার সৃষ্টি – আসেনিকো দিবা,


এরই মাঝে হায়, কালবৈশাখী স্বপ্ন দেখিলি কে তোরা বল!


আসে যদি ঝড়, আসুক, কুলোর বাতাস কে দিবি অগ্রে চল।।

No comments:
Write comments

Interested for our works and services?
Get more of our update !